আজ, মঙ্গলবার | ৩১শে জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ | বিকাল ৪:৪৩


নারীদের ক্যান্সার প্রতিরোধে ‘প্যাপিলোভ্যা’ ভ্যাকসিনেশন

মাগুরা প্রতিদিন : জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতনতার মাস উপলক্ষ্যে ১৮ জানুয়ারি বুধবার ইনসেপ্টা ফারমাসিউ টিক্যালস লিমিটেডের তত্ত্বাবধানে ‘প্যাপিলোভ্যা·’ গণ-ভ্যাকসিনেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি এন্ড অবস বিভাগের আয়োজনে রাজধানীর ধানমন্ডিতে এ উপলক্ষে বিপুল সংখ্যক চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য  র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সকালে আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাক্তার এখলাসুর রহমান, উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাক্তার হাবিবুজ্জামান চৌধুরী, গাইনি এন্ড অবস বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডা. শেহরিন এফ সিদ্দিকা, মডার্ন হেল্থ  গ্রুপের উপদেষ্টা মে. জে (অব.) আশরাফ আবদুল্লাহ ইউসুফ, অধ্যাপক ডাক্তার মাসুদা বেগম, অধ্যাপক ডাক্তার আব্দুস সালাম আরিফ, অধ্যাপক ডা. এম আলমগীর চৌধুরী, অধ্যাপক ডা.  জাকিয়া শহীদ, অধ্যাপক  ডা. মৌসুমী সেনসহ বিপুল সংখ্যক চিকিৎসক ও শিক্ষার্থী র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করেন।

র‍্যালি শেষে আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা শেষে জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধী ‘প্যাপিলোভ্যা·’ ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।

আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি এন্ড অবস বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডা. শেহরিন এফ সিদ্দিকা বলেছেন,  জরায়ু মুখের ক্যান্সার নারী মৃত্যুর অন্যতম কারণ। সময় এসেছে এই মৃত্যু প্রতিরোধের। এজন্য সবচেয়ে প্রয়োজন গণসচেতনতা তৈরি এবং স্ক্রিনিং এর ব্যবস্থা সবার কাছে নিয়ে যাওয়া। ৯ থেকে ৪৫ বছর  বছর পর্যন্ত মেয়েদের সচেতন করা গেলে এবং সঠিক সময়ে ভ্যাকিসিন নিশ্চিত করা গেলে আগামী একশত বছরের মধ্যে জরায়ু মুখের ক্যান্সার সম্পূর্ণভাবে নির্মল করা সম্ভব হবে।

দেশের প্রথম ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ইনসেপ্টা গত বছর থেকে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো জরায়ুমুখ ক্যান্সারের ভ্যাকসিন ‘প্যাপিলোভ্যা·’ বাজারজাত শুরু করেছে।

প্যাপিলোভ্যা· ভ্যাকসিন জরায়ুমুখ ক্যান্সার থেকে সুরক্ষা দেয়, এটি জরায়ুমুখ ক্যান্সারের জন্য দায়ী এইচপিভি ভাইরাসকে প্রতিরোধ করে।

বাংলাদেশে ক্যান্সারে নারী মৃত্যুর মধ্যে জরায়ুমুখ ক্যান্সার দ্বিতীয় প্রধান কারণ। এই ক্যান্সারে মৃত্যুর প্রধান কারণ অসচেতনতা এবং অনেক বছরের অবহেলা। প্রতি বছর দেশে ১১ হাজারের বেশি নারী জরায়ুমুখ ক্যান্সারে মারা যায় এবং ৫ কোটিরও বেশি নারী এর ঝুঁকিতে আছে। ৯ থেকে ৪৫ বছর পর্যন্ত সকল সুস্থ নারীকে এই ভ্যাকসিন দেয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ জরায়ুমুখের ক্যান্সার নির্ম‚লের পথ অনেকটা এগিয়ে যাবে। এই ভ্যাকসিন দেশে বিদ্যমান অনেক দিনের চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে।

শেয়ার করুন...




©All rights reserved Magura Protidin. 2018-2022
IT & Technical Support : BS Technology