আজ, বুধবার | ২২শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | দুপুর ২:৪২

ব্রেকিং নিউজ :
শালিখায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু মহম্মদপুরে পুকুরে ডুবে চাচাতো দুই বোনের মৃত্যু মাগুরায় স্কুল ছাত্রী ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে হত্যা মামলায় এক যুবকের মৃত্যুদণ্ড শেখ হাসিনার দেশে ফিরে আদালতে উপস্থিত হওয়া একমাত্র আইনি পথ চাঁদপুরে ট্রান্সফরমার খোলার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল ব্যক্তির মাগুরায় অনলাইন জুয়া চক্রের মাস্টার এজেন্টসহ দুই জন গ্রেফতার জাতীয় পর্যায়ে  মাগুরার হুমাইরা সারাদেশে প্রথম শরীয়তপুরের বুকে এক টুকরো ইতিহাস: ছায়াঘেরা ‘ছয়গাঁও সিকদার বাড়ি’র খোঁজে শালিখায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে শিক্ষাবৃত্তি, বাইসাইকেল ও সেলাই মেশিন বিতরণ শ্রীপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে সম্মাননা পেলেন শ্রেষ্ঠরা

শ্রীপুরের কোদলা স্কুলের গাছ বিক্রির টাকা হেড মাস্টারের পকেটে

মাগুরা প্রতিদিন ডটকম : মাগুরায় শ্রীপুর উপজেলার কোদলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় দেড় লক্ষ টাকার তিনটি গাছ বিক্রি করে প্রধান শিক্ষক সমুদয় টাকা নিজ পকেটে পুরেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে ।

স্কুল বন্ধ থাকার সুযোগে গোপনে বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রি করে দেওয়ায় এলাকাবাসি এবং বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে প্রধান শিক্ষক তাপস কুমার দত্ত ওই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, গাছগুলো কে কার কাছে বিক্রি করে দিয়েছে, আর কে কিনেছে সে বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই।

এলাকাবাসি জানায়, ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত কোদলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বিগত সময়ে নানা জাতের ফলজ ও বনজ বৃক্ষ রোপন করা হয়। এরমধ্যে অন্তত ৩০ বছর আগে লাগানো দুটি শিশু এবং একটি কাঁঠাল গাছ গোপনে প্রধান শিক্ষক তাপস কুমার ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী সত্তার মুসল্লির কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন। তিনদিন আগে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা মূল্যের ওই গাছগুলো কেটে উপজেলার আমলসার বাজারের সিরাজ মিয়ার করাতকলে নিয়ে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কাঠ ব্যবসায়ী সত্তার মুসল্লি। অথচ গাছ বিক্রির বিষয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি জনতা খাতুনের কিছুই জানা নেই।

জনতা খাতুন বলেন, করোনার কারণে স্কুল বন্ধ রয়েছে। সেখানে এই সময়ে প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের কোনো গাছ কাটলে কিংবা বিক্রি করে ফেললেও এ বিষয়ে আমাকে কিছু জানান নি।

বৃহস্পতিবার বিকালে সরজমিনে আমলসার বাজারে সিরাজ মিয়ার করাত কলে গিয়ে সেখানে স্কুল প্রাঙ্গণ থেকে কেটে নেওয়া গাছের অনেকগুলো খণ্ড দেখতে পাওয়া যায়। এ সময় কাঠ ব্যবসায়ী সত্তার মুসল্লি বলেন, আমি প্রধান শিক্ষক তাপস বাবুর কাছ টাকা দিয়ে গাছগুলো কিনেছি। সবাই জানে। কিন্তু প্রধান শিক্ষক আমাকে ফোন করে গাছের কথা কাউকে জানাতে নিষেধ করছেন। আমি তো মিথ্যা বলতে পারবো না।

তবে গোপনে বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রি করে অর্থ আত্মসাথের বিষয়টি জানাজানি হয়ে পড়ায় এলাকাবাসি এবং বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা ঘটনার তদন্ত পূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে শ্রীপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোশাররফ হোসেন বলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কয়েকটি গাছ কেটে বিক্রি করে ফেলেছেন বলে এলাকাবাসির কাছ থেকে খবর পেয়েছি। তিনি আমাকে কিংবা কাউকেই এ বিষয়ে অবহিত করেন নি। তবে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন...




©All rights reserved Magura Protidin. 2018-2022
IT & Technical Support : BS Technology