আজ, শনিবার | ১৮ই মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | রাত ১০:৫৫

ব্রেকিং নিউজ :

তরকারির দাম বাড়ে সড়কে চাঁদাবাজিতে

মাগুরা প্রতিদিন : মাগুরায় একই তরকারি বিভিন্ন বাজারে ভিন্ন ভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে। বৃহস্পতিবার মাগুরার সাপ্তাহিক হাট, শহরের প্রধান কাঁচা বাজার এবং পুরাতন বাজারের বিভিন্ন দোকান ঘুরে একই সবজির বিভিন্ন দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে। তবে দামের তারতম্যের কারণ হিসেবে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও আড়তদারেরা পণ্য পরিবহনকালে সড়কের বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজদের দায়ি করেছেন।

মাগুরার বিভিন্ন অঞ্চলের ক্ষেত মালিকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য নিয়ে শহরের কাঁচা বাজার আড়তে নিয়মিত বিক্রি করে থাকে। অথচ এখানকার খুচরা দোকানগুলোতেই বেলা ১২ টার দিকে প্রতি কেজি করল্লা ৬০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, ঢেড়স ৪০ টাকা, কচুর মুখি ৬০ টাকা, আলু ৪০ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা যায়। অথচ একই দিন দুপুরে শহরের সাপ্তাহিক হাটে গিয়ে দেখা যায় দামের ভিন্নতা। সেখানে অতিতে কাঁচা তরকারির দাম তুলনামূলকভাবে কম দামে বিক্রি হলেও বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ইচ্ছে মাফিক। অধিক দামেও।
তবে এসব হাট বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, পাইকারী বাজার থেকে কেনা তরকারি তারা ৮ থেকে ১২ টাকা অধিক দামে বিক্রি করছেন। পরিবহন খরচ বাদ দিলে প্রতি কেজিতে ৫ টাকা হারে তারা লাভ করছেন।

শহরের নতুন বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী আবদুস সালাম জানান, বৃহস্পতিবার সকালে মাগুরা ও পাশর্^বর্তি যশোরের খাজুরা পাইকারি বাজার থেকে তারা প্রতিকেজি করল্লা ৩৫ টাকায় কিনলেও বিক্রি করছে ৬০ টাকা কেজিতে। অন্যদিকে পটল ২৮ টাকায় কিনে ৪০ টাকা, ঢেড়স ৩০ টাকায় কিনে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কচুরমুখী ৫২ টাকায় কিনে ৬০ টাকা এবং আলু ৩৩ টাকায় কিনে ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছেন।

মাগুরা কাঁচা বাজারের ব্যবসায়ী খোকন বলেন, বাজারে প্রতিটি সবজির দাম বেশি। অথচ ক্রেতা কম। বড়বড় বাজারে সিণ্ডিকেট দাম বাড়ায়। কিন্তু তারকারির দাম বাড়ে সড়কের চাঁদাবাজদের কারণে। গ্রামাঞ্চল থেকে সবজি নিয়ে বাজারে নসিমন নিয়ে প্রবেশ করতে গেলে মহাসড়কে উঠতেই হবে। অথচ এর জন্যে হাইওয়ে পুলিশের হয়রানির শিকার হতে হয়। আর হয়রানি এড়াতে দিতে হয় নিয়মিত মাসোহারা। একই ভাবে সবজি নিয়ে ঢাকার বাজারে যেতে হলে পথে পথে পুলিশ সহ বিভিন্ন এলাকায় টাকা দিতে হচ্ছে। একই রকম অভিযোগ সবজি উৎপাদনকারী বিভিন্ন ক্ষেত মালিকদেরও।

তবে সড়কে পুলিশের চাঁদাবাজির বিষয়টি অস্বীকার করেছেন হাইওয়ে পুলিশ।

মাগুরার রামনগর হাইওয়ে পুলিশের বর্তমানে দায়িত্বরত কর্মকর্তা এসআই জাহাঙ্গির মোল্যা বলেন, সুনির্দিষ্ট মামলার প্রেক্ষিতে কোনো যানবাহন থেকে জরিমানা আদায় করা হতে পারে। কিন্তু হয়রানি করে অর্থ আদায়ের অভিযোগ সত্য নয়।

শেয়ার করুন...




©All rights reserved Magura Protidin. 2018-2022
IT & Technical Support : BS Technology