আজ, সোমবার | ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | বিকাল ৫:১৬

ব্রেকিং নিউজ :
মাগুরায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উদ্বোধন শ্রীপুরে বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে বিএনপির দোয়া মাহফিল সরকারি কাজে বাধা দিলে দলের হলেও ছাড় নয়: নিতাই রায় চৌধুরী মাগুরায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মিছিল চিত্রাঙ্কন-আবৃত্তির পুরস্কার বিতরণে শেষ হলো মহম্মদপুরের বইমেলা বিশ্ববরেণ্য শিল্পী এস এম সুলতানের ১০৩তম জন্মবার্ষিকী মাগুরায় এসএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ৬৮.২৪ শতাংশ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মহাপ্রয়ান দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি শরীয়তপুরের পথে পথে : মঠ, মসজিদ, মন্দির, জমিদারবাড়ি আর লোককথার এক বিস্মৃত ভূখণ্ড মাগুরায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মসজিদের মুয়াজ্জিনের মৃত্যু

বঙ্গোপসাগরে জাহাজ ডুবির ঘটনায় মাগুরার ৬ জন নিঁখোজ

মাগুরা প্রতিদিন ডটকম : চট্টগ্রামে বঙ্গোপসাগরের বহির্নোঙরে জাহাজ ডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত মাগুরার ৬ জন নিঁখোজ রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে এ বিষয়ে কোনো তথ্যই নেই। তবে জেলার মহম্মদপুর উপজেলার মন্ডলগাতী, খলিসাখালি ও রঘুনাথপুর গ্রামের নিঁখোজ পরিবারগুলোতে চলছে শোকের মাতম।

বুধবার দুপুর ৩ টার দিকে এমভি সুলতান সানজা জাহাজটিকে পেছন থেকে অপর একটি লাইটার জাহাজ আঘাত করলে কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটি ডুবে যায়। ওই জাহাজটিতে কর্মরত মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার যশোবন্তপুর গ্রামের রুবেল এবং খলিসাখালী গ্রামের রবিউল ইসলাম সাঁতরে কুলে উঠতে সক্ষম হয়।

ডুবে যাওয়া এমভি সুলতান সানজা থেকে বেঁচে ফেরা রুবেল মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার যশোবন্তপুর গ্রামের মৃত লুলু মিয়ার ছেলে। তিনি বলেন, আমরা পাথর নিয়ে জাহাজে করে কর্ণফুলির দিকে যাচ্ছিলাম। কিন্তু পেছন থেকে অন্য একটি লাইটার জাহাজ আঘাত করে। সে সময় আমাদের জাহাজের মধ্যে মাগুরার মোট ৮ জন ছিলো। আমার সঙ্গে রবিউল কুলে উঠলেও অন্য ৬ জনের খবর পাওয়া যাচ্ছে না। তারা নিঁখোজ রয়েছে।

নিঁখোজ ওই জন মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার মণ্ডলগাতি গ্রামের নূরোল হোসেন মোল্যার ছেলে শিমুল ও জাহিদ, খসরু বিশ্বাসের ছেলে সুরুজ, গোলাম রসূল মোল্যার ছেলে নূর মোহাম্মদ এবং একই উপজেলার খলিসাখালি গ্রামের কামাল মোল্যার ছেলে মনির হোসেন ও বাবুখালী গ্রামের রঘুনাথপুর আকরাম হোসেনের ছেলে নাজমুল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তাদের কোনো খবর পাওয়া যায়নি তিনি জানান।

বৃহস্পতিবার বিকালে মাগুরার নিঁখোজ ওই পরিবারগুলোতে গিয়ে দেখা যায় সেখানে চলছে শোকের মাতম। ওই পরিবারের সদস্যরা ঈদের ছুটির পর চট্টগ্রামে ওই জাহাজটিতে কাজের জন্যে যায়।

মন্ডলগাতি গ্রামের নিঁখোজ শিমুল ও জাহিদের মা ফাতেমা বেগম বলেন, আমার ছেলেরা বুধবার সকালে মোবাইল ফোনে কথা বলে কাজে গেছে। পরে কথা বলবে জানালেও আর কথা হয়নি। এখন শুনছি তাদের জাহাজ ডুবে গেছে।

একইভাবে অন্যান্যদের পরিবারে গিয়েও দেখা যায় প্রতিটি পরিবার শোকাগ্রস্ত। তারা নিজ নিজ পরিবারের নিঁখোজ সন্তানদের সন্ধান চেয়েছেন।

এ বিষয়ে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রামানন্দ পাল বলেন, জাহাজ ডুবির ঘটনায় মাগুরার কেউ সেখানে কর্মরত ছিলেন এবং তাদের নিঁখোজ কিংবা উদ্ধারের কোনো তথ্যই অফিসিয়ালি আমাদের কাছে নেই। তবে বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।

শেয়ার করুন...




©All rights reserved Magura Protidin. 2018-2022
IT & Technical Support : BS Technology