আজ, শুক্রবার | ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | বিকাল ৩:০৩

ব্রেকিং নিউজ :
বাংলা ১২ মাসের নাম ঠিকঠাক জানেন না মোসাদ্দিক? নববর্ষে মাগুরা জেলা পুলিশের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত শ্রীপুরে জামায়াতে ইসলামীর দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন মঞ্জুর মাগুরায় ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার মাগুরার রায়পুরে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন আ.লীগ রাজনীতিতে নিষেধাজ্ঞা: আইনি ভিত্তি দিল সংসদ ক্রিকেট এবং রাজনীতি নিয়ে ফেসবুকে সাকিব আল হাসানের নতুন স্টাটাস মাগুরায় হাম-রুবেলা প্রতিরোধে টিকাদান জোরদার: উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রী গঠিত পিএসএসি’র সদস্য মনোনীত হলেন ইনসেপ্টার আব্দুল মুক্তাদির

মাগুরা হাসপাতালে ১৫ দিন ভর্তি থেকেও চিকিৎসা পাচ্ছেন না বৃদ্ধা আনোয়ারা বেগম

মাগুরা প্রতিদিন ডটকম : ভেজা হাত মুছতে গিয়ে বিধে গেছে কাপড়ে জড়িয়ে থাকা সূঁচ। তাই নিয়ে গত ১৫ দিন ধরে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি হয়ে আছেন পঞ্চাশোর্ধ বৃদ্ধা আনোয়ারা বেগম। শরীরে ভেঙ্গে থাকা সূঁচটি বের করার মতো উপযুক্ত সময় দায়িত্বরত সার্জন দিতে না পারায় চিকিৎসা ছাড়াই দিনের পর দিন তাকে হাসপাতালে অন্যান্য রোগিদের সঙ্গে কাটাতে হচ্ছে।

মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা প্রত্যাশি আনোয়ার বেগম জেলার মহম্মদপুর উপজেলার রাঢ়িখালি গ্রামের গোলাম রসূলের স্ত্রী।

হাসপাতালের রেজিস্ট্রার থেকে দেখা যায়, আনোয়ারা বেগম হাতের পেশিতে ভেঙ্গে থাকা সূঁচটি নিয়ে ৭ নভেম্বর তারিখে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। পরদিন দায়িত্বরত সার্জন শফিউর রহমান তাকে সিভিসি, আরবিএস, ইসিজি, চেষ্ট এক্সরে, সিরাম ক্রিয়েটিনিনসহ বিভিন্ন পরীক্ষা দিয়েছেন। এরমধ্যে এক্সরে পরীক্ষাটি হাসপাতালের বাইরে থেকে করাতে হয়েছে। কিন্তু নির্দেশিত পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন করার দুই সপ্তাহ পরও ভেঙ্গে থাকা সূঁচটি বের করা হয়নি।

হাসপাতালের দোতলায় ৬নং বেডে চিকিৎসাধিন ভূক্তভোগী আনোয়ার বেগম বলেন, ডাক্তার ওমিপ্রাজল আর প্যারাসিটামল দিয়েছেন। সেগুলো নিয়োমিত খেয়ে যাচ্ছি। তবে জানি না কবে আমার অপারেশন করবে আর কবেই বা বাড়িতে ফিরে যাবো।

তবে দায়িত্বরত চিকিৎসক শফিউর রহমান বলেন, হাসপাতালে এতদিন ধরে রোগিটি আছে সেটি কেউ অবগত করেনি। তাছাড়া রোগির পক্ষেও কেউ আমার সঙ্গে দেখা করেনি বলে অপারেশন করা যায়নি।

এ বিষয়ে ২৫০ শয্যা হাসপাতালের আরএমও ডা. বিকাশ শিকদার বলেন, নামে এটি ২৫০ শয্যার হাসপাতাল। কিন্তু ১শ বেডের জনবলও নেই। অথচ মাত্রাতিরিক্ত রোগির চাপ। সপ্তাহে ৬দিন ওটির কাজ চললেও সংকটে সংকটে একেবারেই নাজেহাল অবস্থায়। বিধায় আন্তরিকতা থাকলেও প্রয়োজনীয় সেবা দেয়া যাচ্ছে না।

শেয়ার করুন...




©All rights reserved Magura Protidin. 2018-2022
IT & Technical Support : BS Technology