আজ, বুধবার | ১৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | রাত ১১:৩৬

ব্রেকিং নিউজ :
মাগুরায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উদ্বোধন শ্রীপুরে বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে বিএনপির দোয়া মাহফিল সরকারি কাজে বাধা দিলে দলের হলেও ছাড় নয়: নিতাই রায় চৌধুরী মাগুরায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মিছিল চিত্রাঙ্কন-আবৃত্তির পুরস্কার বিতরণে শেষ হলো মহম্মদপুরের বইমেলা বিশ্ববরেণ্য শিল্পী এস এম সুলতানের ১০৩তম জন্মবার্ষিকী মাগুরায় এসএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ৬৮.২৪ শতাংশ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মহাপ্রয়ান দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি শরীয়তপুরের পথে পথে : মঠ, মসজিদ, মন্দির, জমিদারবাড়ি আর লোককথার এক বিস্মৃত ভূখণ্ড মাগুরায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মসজিদের মুয়াজ্জিনের মৃত্যু

মাগুরা হাসপাতালে ১৫ দিন ভর্তি থেকেও চিকিৎসা পাচ্ছেন না বৃদ্ধা আনোয়ারা বেগম

মাগুরা প্রতিদিন ডটকম : ভেজা হাত মুছতে গিয়ে বিধে গেছে কাপড়ে জড়িয়ে থাকা সূঁচ। তাই নিয়ে গত ১৫ দিন ধরে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি হয়ে আছেন পঞ্চাশোর্ধ বৃদ্ধা আনোয়ারা বেগম। শরীরে ভেঙ্গে থাকা সূঁচটি বের করার মতো উপযুক্ত সময় দায়িত্বরত সার্জন দিতে না পারায় চিকিৎসা ছাড়াই দিনের পর দিন তাকে হাসপাতালে অন্যান্য রোগিদের সঙ্গে কাটাতে হচ্ছে।

মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা প্রত্যাশি আনোয়ার বেগম জেলার মহম্মদপুর উপজেলার রাঢ়িখালি গ্রামের গোলাম রসূলের স্ত্রী।

হাসপাতালের রেজিস্ট্রার থেকে দেখা যায়, আনোয়ারা বেগম হাতের পেশিতে ভেঙ্গে থাকা সূঁচটি নিয়ে ৭ নভেম্বর তারিখে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। পরদিন দায়িত্বরত সার্জন শফিউর রহমান তাকে সিভিসি, আরবিএস, ইসিজি, চেষ্ট এক্সরে, সিরাম ক্রিয়েটিনিনসহ বিভিন্ন পরীক্ষা দিয়েছেন। এরমধ্যে এক্সরে পরীক্ষাটি হাসপাতালের বাইরে থেকে করাতে হয়েছে। কিন্তু নির্দেশিত পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন করার দুই সপ্তাহ পরও ভেঙ্গে থাকা সূঁচটি বের করা হয়নি।

হাসপাতালের দোতলায় ৬নং বেডে চিকিৎসাধিন ভূক্তভোগী আনোয়ার বেগম বলেন, ডাক্তার ওমিপ্রাজল আর প্যারাসিটামল দিয়েছেন। সেগুলো নিয়োমিত খেয়ে যাচ্ছি। তবে জানি না কবে আমার অপারেশন করবে আর কবেই বা বাড়িতে ফিরে যাবো।

তবে দায়িত্বরত চিকিৎসক শফিউর রহমান বলেন, হাসপাতালে এতদিন ধরে রোগিটি আছে সেটি কেউ অবগত করেনি। তাছাড়া রোগির পক্ষেও কেউ আমার সঙ্গে দেখা করেনি বলে অপারেশন করা যায়নি।

এ বিষয়ে ২৫০ শয্যা হাসপাতালের আরএমও ডা. বিকাশ শিকদার বলেন, নামে এটি ২৫০ শয্যার হাসপাতাল। কিন্তু ১শ বেডের জনবলও নেই। অথচ মাত্রাতিরিক্ত রোগির চাপ। সপ্তাহে ৬দিন ওটির কাজ চললেও সংকটে সংকটে একেবারেই নাজেহাল অবস্থায়। বিধায় আন্তরিকতা থাকলেও প্রয়োজনীয় সেবা দেয়া যাচ্ছে না।

শেয়ার করুন...




©All rights reserved Magura Protidin. 2018-2022
IT & Technical Support : BS Technology