মাগুরা প্রতিদিন: পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় মাগুরার তিন শিক্ষার্থীসহ পাঁচজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার বিকেলে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মধুখালীতে অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিন শিক্ষার্থী নিহত হন। একই মহাসড়কের কানাইপুরে বালুবোঝাই ট্রাকের চাপায় প্রাণ হারান মাগুরার আলোকদিয়া গ্রামের এক নারী, তাঁর সাত বছরের ছেলে ও এক অটোরিকশাচালক।
নিহত তিন শিক্ষার্থী হলেন মাগুরা সদর উপজেলার বারাসিয়া গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে নূর মোহাম্মদ আরিফ, একই উপজেলার মালিক গ্রামের বাসার মোল্লার ছেলে রাব্বি এবং আঠারখাদা এলাকার আবু জাফরের মেয়ে তামান্না তাবাসসুম ঐশী।
তারা ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ, মাগুরা দলের সদস্য।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে একটি প্রশিক্ষণে অংশ নিতে তাঁরা মাগুরা থেকে ফরিদপুরে যান। প্রশিক্ষণ শেষে অ্যাম্বুলেন্সে করে মাগুরায় ফেরার পথে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে মধুখালী উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের আড়কান্দি সেতুর কাছে দুর্ঘটনার শিকার হন তাঁরা। ফরিদপুর থেকে মাগুরাগামী অ্যাম্বুলেন্সটির সঙ্গে কিং ফিশার পরিবহনের একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে সেটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে তিন শিক্ষার্থী নিহত হন।
মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আল আমিন জানান, দুর্ঘটনার পর ছয়জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। তাঁদের মধ্যে তিনজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। গুরুতর আহত অপর তিনজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ফরিদপুর সদরের কানাইপুরের তেঁতুলতলা এলাকায় বালুবোঝাই ট্রাকের চাপায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার তিন আরোহী নিহত হন। তাঁরা হলেন মাগুরা সদর উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামের সুমি বেগম (৩২), তাঁর সাত বছরের ছেলে শাওন ও অটোরিকশাচালক।
সুমি নিজের সন্তানকে নিয়ে ঢাকা থেকে বাবার বাড়ি বেড়াতে এসেছিলেন।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।