মাগুরা প্রতিদিন: ঘটনার পর তিনদিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ যুবদল নেতা সাকের হত্যাকাণেডর রহস্য উন্মোচন করতে না পারায় শনিবার মাগুরা শহরে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ এবং মহাসড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে।
অবিলম্বে খুনিদের গ্রেফতার এবং বিচারের দাবিতে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বেলা সাড়ে ১১ টায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে পারনান্দুয়ালি ব্যাপারিপাড়া মসজিদের সামনে আগুন জ্বালিয়ে প্রায় দেড়ঘন্টা অবরোধ করে। এ সময় তারা পুলিশকে ২৪ ঘন্টা সময় বেঁধে দেয়। পরে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে রোববারের মধ্যে হত্যা মামলাটির রহস্য উন্মোচনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির আশ্বাস দিলে তারা অবরোধ তুলে নেয়। এর আগে গ্রামবাসী মাগুরা শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৫ টায় মাগুরা বাস টার্মিনালে রয়েল কাউন্টারের মধ্যে গুলিতে মারা যান মাগুরা পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাকের হোসেন। সেখানে তিনি কাউন্টার মাস্টার হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।
ঘটনার রাতে নিহত যুবদল নেতা সাকেরের স্ত্রী শারমিন নাহার অজ্ঞাতদের আসামী করে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই রাতেই পুলিশ রনি শিকদার এবং শামিমা তাবাস্সুম লুবনা নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদেরকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
মাগুরা সদর থানার ওসি (তদন্ত) আবু বকর বলেন, হত্যা মামলাটিতে সুনির্দিষ্ট আসামী না থাকার পরও ইতোমধ্যে দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে রিমাণ্ড চাওয়া হবে। তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
এছাড়াও পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট তদন্ত কার্য চালিয়ে যাচ্ছেন। আগামী দু’দিনের মধ্যেই মামলাটির কুলকিনারা হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।