আজ, শুক্রবার | ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | রাত ১১:৫৮

ব্রেকিং নিউজ :
যুবদল নেতা সাকের হত্যাকাণ্ডের পর বেশি কান্নাকাটি করা সেই মারুফকে রিমাণ্ডে মাগুরায় জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের সম্মেলন ধর্ষণের পর মেয়েটি নদীতে ঝাপ দেয় পরে ফাঁড়ির বাথরুমে হারপিক পান করে মাগুরায় ২৮ অক্টোবর স্মরণে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ সাকের হত্যার প্রকৃত আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি-আসামীদের পক্ষে দাঁড়াবেন না আইনজীবীরা মাগুরায় পুকুরে মিলল দুই শিশুর মরদেহ শ্রীপুর প্রেসক্লাবে তিন সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন মাগুরায় সাকের হত্যাকাণ্ড: খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ সড়ক অবরোধ সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ শিক্ষার্থীসহ মাগুরার ৫ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু মাগুরায় অতিরিক্ত মদ্যপানে দুইজনের মৃত্যু

যুবদল নেতা সাকের হত্যাকাণ্ডের পর বেশি কান্নাকাটি করা সেই মারুফকে রিমাণ্ডে

মাগুরা প্রতিদিন: যুবদল নেতা সাকের হোসেন হত্যাকাণ্ডের পর সবচেয়ে বেশি কান্নাকাটি করে আলোচনায় এসেছিলেন পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মারুফ হোসেন। হত্যাকাণ্ডের দিন তাকে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর ছেলে মাগুরা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিথুন রায় চৌধুরীকে জড়িয়ে ধরে কান্নাকাটি করতে দেখা যায়। অথচ সাকের হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে শুক্রবার তাকেই গ্রেপ্তার করে রিমাণ্ডে নিয়েছে পুলিশ।

২৪ অক্টোবর সাকের হত্যার রহস্য উন্মোচনের দাবিতে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পারনান্দুয়ালী মসজিদের সামনে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভের আয়োজনও করেন জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এই স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা। এ সময় শতশত যানবাহন আটকা পড়ায় সাধারণ যাত্রীরা দূর্ভোগের মধ্যে পড়েন।

একই দিন মোটর শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে অপরাধীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করে পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে সমালোচনাও করেন তিনি। তবে এবার সেই মারুফের বাড়ি থেকেই উদ্ধার হয়েছে ৫০০ গ্রাম সোনা। তাকে গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ড ও সোনার চালান লুটের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

শুক্রবার মারুফকে আদালতে হাজির করে ১৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাকের হোসেন হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে রয়েছে প্রায় সাড়ে ৩ কেজি সোনার একটি চালান লুটের ঘটনা। ঢাকা থেকে ভারতীয় সীমান্তের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়ার পথে মাগুরার রামনগর এলাকায় ওই সোনার চালান ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে লুট করা সোনা ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জেরেই সাকের হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে একাধিক সূত্র দাবি করেছে।

গত ২১ অক্টোবর বুধবার ভোরে মাগুরা বাস টার্মিনালে রয়েল এক্সপ্রেসের কাউন্টারের ভেতরে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন মাগুরা পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাকের হোসেন। তিনি শহরের পারনান্দুয়ালী গ্রামের মৃত কুতুব উদ্দিনের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে ওই কাউন্টারে কাউন্টার মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শারমিন নাহার ওইদিন অজ্ঞাতদের আসামী করে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় গ্রেফতার হন সাকেরের বান্ধবী লুবনা এবং বন্ধু রনি শিকদার। রিমাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদে লুবনার কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যার পেছনের রহস্য উন্মোচন হতে চলেছে বলে জানা গেছে।

হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির এসআই কামরুজ্জামান বলেন, মারুফকে গ্রেপ্তারের পর শুক্রবার আদালতে হাজির করে ১৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

শেয়ার করুন...




©All rights reserved Magura Protidin. 2018-2022
IT & Technical Support : BS Technology